বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯
মকর সংক্রান্তি ~ আশুতোষ ভট্টাচার্য্য
বুধবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৯
কুকুর ~ ড: রেজাউল করীম
মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৯
কৃষক কেন দাম পায়না ~ অংশুমান মজুমদার
মায়ের উত্তর: কয়লা কিনতে তো টাকা লাগবে। কিন্তু আমাদের যে টাকা নেই।
দুর্দশার অন্য খবরও আছে। মহারাষ্ট্রের আখচাষীদের অল্প দামে তাঁদের কাছ থেকে আখ কিনে কারখানার মালিকরা চড়া দামে বিক্রি করে তার থেকে তৈরি হওয়া চিনি। মালিকপক্ষের কাছ থেকে বিক্রির সেই সামান্য টাকা তুলতেও কালঘাম ছুটে যায় কৃষকদের। বারবার অভিযোগ করেও কারখানার মালিকদের কাছথেকে বকেয়া না পেয়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। শুক্রবার ক্ষুব্ধ চাষীরা ভাঙচুর চালায় সাতারার কৃষ্ণা চিনি কারখানায়।মেল গ্যেজ বনাম পুরুষের মুগ্ধতা ~ উর্বা চৌধুরী
বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৯
উচ্চবর্ণের সংরক্ষণ ~ শতাব্দী দাস
রবিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৯
ডাক্তার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার ~ ডা: রেজাউল করীম
শনিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০১৯
বামপন্থীদের কথা বিশ্বাস করবেন না ~ সুশোভন পাত্র
বামপন্থীদের কথা বিশ্বাস করবেন না। বিশ্বাস করতে হলে আনন্দবাজার কে করবেন, চোস্ত ইংলিশে স্টুডিও কাঁপানো অর্ণব গোস্বামীদের করবেন, বিকাশের চৌকিদার কে করবেন, সততার পিসি কে করবেন, গেরুয়া কামিজে নিমেষে ঠ্যাং মাথায় তুলে দেওয়া 'বাবা' কে করবেন, তিন হাত লম্বা দাড়িওয়ালা ভাষণবাজ 'মৌলবি' কে করবেন। কিন্তু এক গলা গঙ্গা জলে ডুবে বললেও খবরদার, বামপন্থীদের কথা একদম বিশ্বাস করবেন না।
২৮ বছর আগে,আর্থিক সংস্কারে বায়নায় দেশের 'হটডগ' বাজার পৃথিবীর জন্য মুক্ত করে দিয়ে, তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মনমোহন সিং পার্লামেন্টে বলেছিলেন "এই সংস্কার আর্থিক সমতা ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠিত করবে। পাঁচ বছর পর দেশে আর কেউ গরীব থাকবে না।" মুক্তবাজার অর্থনীতির ইনফ্যাচুয়েশেনের লুস-মোশেনে ভেসে গিয়েছিল মগধ থেকে পাটলিপুত্র, ছাতনা থেকে ছিন্নমস্তা। রাম-শ্যাম-যদু-মধু সমস্ত রাজনৈতিক দল কোরাস গেয়ে বলেছিল, "বাহ! ওস্তাদ বাহ!।" একমাত্র ঐ হাতে গোনা বামপন্থীরাই সেদিন বিরোধিতা করে বলেছিল, এই নীতি অচিরেই দেশজুড়ে আর্থিক বৈষম্য আরও প্রশস্ত করবে। ধনীরা আরও ধনী হবে। গরীবরা আরও গরীব।
২৮ বছর পর, অক্সফামের রিপোর্ট বলছে, একদিকে দেশের ১% মানুষের হাতে দেশের মোট সম্পদের ৭৩% কুক্ষিগত। আর অন্যদিকে বিশ্বের ১/৪ ক্ষুধার্তের ঠিকানা আজ ভারতবর্ষ। একদিকে শেষ যে ২৮ বছরে ভারতবর্ষে বিলিয়নারির সংখ্যা ১ থেকে ১৩২ হয়েছে, সেই ২৮ বছরেই ১০০টাকা উৎপাদন মূল্যে শ্রমিক'দের প্রাপ্য মজুরি কমে ৯.৯ টাকায় ঠেকেছে। কি ভুলই না বলেছিলে সেদিন বামপন্থীরা! তথ্যই বলে দিচ্ছে, বামপন্থীদের মুখে ছাই দিয়ে, গত ২৮ বছরে দেশে কেমন 'আর্থিক সমতা ও সামাজিক ন্যায়' প্রতিষ্ঠা হয়েছে। গরীব খুঁজতে তো আজকাল গ্যালিলিওর দূরবীনও ভাড়া করে মিউজিয়ামে যেতে হচ্ছে। ঐ যে বললাম বামপন্থীদের কথা একদম বিশ্বাস করবেন না।
রঙ্গরাজন এবং কিরীট পারিখ কমিটির সুপারিশে, সরকার তখন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বিনিয়ন্ত্রণ করছে। কেতাদুরস্ত অর্থনীতিবিদরা বললেন, ভর্তুকির গলদঘর্ম ত্যাগ করলে, ৮০% তেল আমদানি করা ভারতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্য কমলেই তার সরাসরি সুবিধা পাবেন আম জনতা। কংগ্রেস বলল 'বহুত আচ্ছা'। বিজেপি বলল 'মাশা আল্লাহ'। আর আম্বানিরা-আদানিরা বলল, 'জিও পাগলা'। একমাত্র ঐ হাতে গোনা বামপন্থীরাই সেদিন বিরোধিতা করে বলেছিল, বিনিয়ন্ত্রণ আসলে খুড়োর কল। অপরিশোধিত তেলের মূল্য বাড়লে তার দায় সাধারণ মানুষের ঘাড়েই চাপানো হবে। আর কমলে, তেল উত্তোলনকারী মুষ্টিমেয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী মুনাফা ভোগ করবে।
২০০৪-এ পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছিল ৩৬.৪৯টাকা, ২৪.৩৫ টাকা। আর এখন? তাহলেই ভাবুন, কি ভুলই না বলেছিলে সেদিন বামপন্থীরা! বিনিয়ন্ত্রণের পর অপরিশোধিত তেলের মূল্য কমলে, সরাসরি সুবিধা আপনি পাচ্ছেন তো? গত চার বছরে ডিজেলে এবং পেট্রোলের বর্ধিত 'এক্সাইস ডিউটি' আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়ে আপনার বারান্দায় টপকে পড়েছে তো? বেশ সস্তায় আপনার রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার ঘরে ডেলিভারি হচ্ছে না? আর মুনাফার অভাবে, অনটনে নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে মাত্র ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচা করে কোন ক্রমে মেয়ের বিয়ে দিতে আম্বানিরা বাধ্য হচ্ছে না? ঐ যে বললাম বামপন্থীদের কথা একদম বিশ্বাস করবেন না।
জঙ্গলমহল তখন ভিজে যাচ্ছে রক্তে। সালকু'র লাশটা যখন পাওয়া গেলো শরীরের চামড়া তখন পচে গলে যাচ্ছে। পোকাতে কুরে খাচ্ছে সারা দেহ, চারিদিকে দুর্গন্ধ। অথচ মাওবাদী'দের ফতোয়ায়, বৃদ্ধা বিধবা মা'র শত অনুরোধেও, মৃতদেহ সৎকারে সাহস করছে না ধরমপুর গ্রামের কেউ! শীতের রাতে, দুবরাজপুর গ্রামে, বাদল আহির কে মাওবাদীরা খুন করল গোটা শরীরে গুণে গুণে পেরেক পুঁতে।
বুদ্ধিজীবীরা অবশ্য তখন সানগ্লাস। বুদ্ধিজীবীরা তখন লালগড়। বিসেলারির বোতলে তখন 'রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের' তুফানি চুমুক। এ যুগের পাবলো পিকাসোর ছবি তখন বিক্রি হচ্ছে ১.৮৬ কোটি টাকায়। হবু মুখ্যমন্ত্রীর 'সঙ্গে সুমন' হেলিকপ্টারে চেপে তখন কুচবিহার থেকে কাকদ্বীপ। বামপন্থীরা বলেছিল, দিনে যারা তৃণমূল, তাঁরাই রাতে মাওবাদী। বামপন্থীরা বলেছিল, এতো টাকার উৎস কি? ডেলোর বাংলো তে গভীর রাতের কেলোর মিটিং'র রহস্য কি? চ্যানেলে টেনের সীমাহীন স্তাবকতার রেসিপি কি? সো হোয়াট, জঙ্গলমহলের বেতাজ বাদশা অবশ্য তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যেই 'প্রকৃত কমিউনিস্ট' দেখতে পেলেন।
তারপর একদিন সেই 'প্রকৃত কমিউনিস্ট'ই মুখ্যমন্ত্রী হলেন। দফায় দফায় সেজেগুজে, পাউডার মেখে বিপ্লবী 'মাওবাদীরা' মহাকরণের অলিন্দে পৌঁছে গেলেন। কেউ আত্মসমর্পণের প্যাকেজ পেলেন। কেউ সরকারী চাকরী পেলেন। সুচিত্রা মাহাতো তৃণমূল নেতা প্রবীর গড়াই কে বিয়ে করলেন। পয়সা হল, গাড়ি হল, বাড়ি হল। পরের বৈশাখে, সুদীপ্ত সেনও গ্রেপ্তার হল। তৃণমূলের মন্ত্রী-সাংসদরা আর্থিক তছরুপের দায়ে জেলের ঘানি টানল। মুকুল রায়ও বিজেপি যোগ দিয়ে ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে গেলো। সবই হল, শুধু 'প্রকৃত কমিউনিস্ট'র রাজত্বেই কিষানজি কে এনকাউন্টারে মরতে হল। আর আমানতদারীদের টাকাটা আজও বিশ বাঁও জলেই ডুবে রইলো।
কি ভুলই না বলে বামপন্থীরা! তাই না? তাই অতীত থেকে শিক্ষা নিন। রাজনৈতিক সমীকরণের সংকীর্ণ স্বার্থেই সারদা-নারদা তদন্তে সিবিআই তৎপর হচ্ছে না কিম্বা সিবিআই'র জুজুতেই মুখ্যমন্ত্রী আজ রাফালে নিয়ে সাত চড়েও রা কাটছে না; রামনবমী আর হনুমান জয়ন্তীর নামে রাজ্যে ধর্মীয় মেরুকরণের তাস সাজাচ্ছে বিজেপি, কিম্বা ফেডারেল ফ্রন্টের নামে বিজেপি বিরোধী ঐক্য কে ভাঙতে চাইছে তৃণমূল, মানুষের জীবন জীবিকার সমস্যা থেকেই দৃষ্টি ঘোরাতে রামমন্দিরের হিড়িক তুলছে বিজেপি, কিম্বা বিজেপি সরকারের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে মানুষের ধর্মঘট কে রুখতেই 'কর্মসংস্কৃতির' ন্যাকামি করছে তৃণমূল -এক গলা গঙ্গা জলে ডুবে বললেও খবরদার, বামপন্থীদের এসব কথা বিশ্বাস করবেন না একদম।
আর গঙ্গা জলে ডুবে বললেই বিশ্বাস করবেনই বা কেন বলুন তো? গঙ্গার জল কি আদেও পবিত্র নাকি? 'নমামি গঙ্গার' ঢপ বাজিতে গঙ্গার জল আদেও পরিষ্কার নাকি? দূষণ মুক্ত হয়েছে নাকি? আবার শুনছি, ঐ গঙ্গার জলে তর্পণ করেই, চৌকিদাররা রাফালে চুক্তি তে চুরি করেছে নাকি?
মঙ্গলবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
নিরুপম সেন ~ অর্ক রাজপন্ডিত
সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
কেবলই স্বপন, করেছি বপন ~ অনামিকা
শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
রাফাল ও মোদী সরকার ~ অবিন দত্তগুপ্ত
বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮
স্বপ্ন যখন যৌথখামার.. ~ সুশোভন পাত্র
চিকিৎসা ব্যবস্থা ~ ড: গৌতম মিস্ত্রি
সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮
মমতা ও আরএসএস ~ সুশোভন পাত্র
শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৮
দিল্লি চলো ~ অবীন দত্তগুপ্ত
বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
বাংলা মিডিয়া ~ সুশোভন পাত্র
মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮
দাংগা ও দিদি ~ আরকাদি গাইদার
শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮
বনপলাশীর পাখ-পাখালি ~ মিনহাজ




মুরুগুমা আলাদা করে পাখির জন্য খুব একটা বিখ্যাত জায়গা না হলেও গাছ পালা-খাল বিল আছে আর পাখি থাকবে না এমন হয়?


গেটের মুখে পৌঁছে দেখি মিস্টার অ্যান্ড মিসেস রবিন (Indian robin)খেলা করছেন ইতি উতি। রিসর্টের নামের সাথে সাযুজ্য রেখেই বনপলাশীর আঙিনায় রয়েছে বেশ কয়েকটা পলাশ গাছ। পলাশের ডালে ডালে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছোট্ট ছোট্ট সব পাখি। বসন্তে যখন পলাশ ফুটবে -পাখিদের আনা গোনাও নিশ্চয় বাড়বে। আপাতত দুর্গা টুনটনি (purple sunbird) আর pale billed flowerpecker দেখতে পেলাম। দূরে ক্ষেতের মধ্যে একটা ছোট পলাশ চারার ওপর চুপটি করে বসে আছে কাজল পাখি (Brown shrike)। চোখের ওপর কালো দাগ থেকেই এমন নাম তার। ওই টুকু ছোটো পাখি-কিন্তু কি জোর তার ওই টুকুনি ডানায়! যার ওপর ভরসা করে সুদূর মোঙ্গলিয়া কিম্বা সাইবেরিয়া থেকে পাড়ি দিয়েছিল আকাশ পথে একটু উষ্ণতার জন্য। জিপিএস নেই কম্পাস নেই-শুধু অভিজ্ঞতা আর দুডানায় ভরসা করে হাজার হাজার নটিক্যাল মাইল জিওডেসিক পেরিয়ে সে পৌঁছে গেছে আমাদের দেশে।সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল আমাদের সাথে কাটিয়ে আবার ফিরে যাবে ওদেশে। ভিসা ও লাগবে না-ইমিগ্রেশনের ঝামেলা ও নেই। সংস্কৃত দেশ কথাটা র অর্থ যে ভৌগলিক সীমাবদ্ধ ভূখন্ড মাত্র নয়- এক ব্যাপক বিশাল পরিসর তা তথাকথিত সভ্য মানুষেরা না বুঝলেও এই পুঁচকে পরিযায়ী রা বোঝে।আর তাই বুঝি ছুটে আসে সেই সূর্যের দেশে যেখানে সংগীত এর নাম দেশ।
ফিরে এসে আড্ডা ঘরে বসে নাস্তা সারতে সারতে ই দেখি পশ্চিমের মাঠে খেলা করছে একজোড়া ল্যাপউইং। বাংলায় আমরা যাদের বলি হো টি টি (Red Wattled Lapwing) এরা তাদের জাতভাই Yellow Wattled Lapwing. নীচে দেওয়া ছবি দেখলেই বোঝা যাবে এদের নামের উৎস কি। ব্রেক ফাস্টের পর আমি আর আমার সদ্য কৈশোর পার করা ভাইপো প্রত্যয় মিলে একটু চরতে বেরোলাম যদি আর কিছু পাখির দেখা মেলে। রাস্তা ধরেই একটু এগিয়েছি-ওমনি দেখি একটা চন্দনা মাথার ওপর চক্কর কাটছে। ইংরেজি তে এদের বলে Alexandrine parakeet। চক্কর কাটতে কাটতে কি হল কে জানে-আমাদের বুঝি তার ভীষণ পছন্দ হয়ে গেল-সে এসে বসল আমার একেবারে কয়েক হাতের মধ্যে একটা পলাশ চারার ওপর। আর আমিও কন্টিনিউয়াস মোড এ কতকগুলো স্ন্যাপ নিয়ে নিতে কসুর করলাম না। আর একটু ঘোরাঘুরি করে ভাইপো কে কিছু গাছ-পাখি চেনাতে চেনাতে ই বেশ রোদ উঠে গেল। আর রোদ কড়া হয়ে গেলে পোকা মাকড় রা ও গাছের পাতা- ছালের আড়ালে চলে যায়। ফলে পাখি দের ও আনা গোনা কমে যায়। তাই আমরা ও নিলাম ফেরার পথ। বনপলাশীর গেটে ঢোকার ঠিক আগে দেখলাম একটা কাঠ শালিখ বা Chestnut Tailed Starling শুকনো ডালের ওপর বসে আড়মোড়া ভাঙছে। কাঠ শালিখের ভঙ্গিমা ক্যামেরা বন্দি করে আর ক্যামেরা ব্যাগবন্দি করে ফেললাম সেদিন এর মত। কোলকাতা ফেরার দিন প্যাকিং এর ঠিক আগে সকাল সকাল একবার বেরিয়েছিলাম। সূর্য তখন উঠে গেছে।আগে শুনেছিলাম মুরুগুমা র ড্যামে পরিযায়ী হাঁসেরা নামে না। কিন্ত আকাশে ওগুলো কি উড়ছে দল বেঁধে? দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে। ক্যামেরার টেলি তে চোখ লাগিয়ে পরিস্কার দেখলাম বেশ বড় আকারের হাঁস! আলোর উল্টো দিকে থাকায় রঙ বুঝতে পারলাম না। কিন্ত এটা আশা করাই যায় যে মুরুগুমার জলে এবার হাঁস নামবে।
বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮
ছবি ~ অভিজিৎ মজুমদার
আন্তর্জাতিক উত্সবে এমন সংস্কৃতিময়ী মুখ্যমন্ত্রীর ছবি থাকবে না তো কি বুড়ো হাবড়া মৃণাল সেনের ছবি থাকবে? যত্তসব। দেখছিস, সুশীলরা চুপ আছে তবু তোদের ঘ্যানঘ্যান থামে না। তোরা কি বেশি বুঝিস? আর চাদ্দিকে যে বচ্ছরের পর বচ্ছর ধরে এত রঙ্গতামাশা চলছে তার পরিচালনা কে করছে শুনি? শহীদ দিবসে নাচাগানা হয়, আগে কখনো শুনেছিলিস? তবে? আর বাকি রাজ্য? সে তো যাকে বলে, ব্লকব্লাস্টার। ভায়োলেন্স চাই? আছে। হাস্যরস চাই? আছে। প্যাথোস চাই? আছে। পরকীয়া চাই? আছে। পেটমোটা ভিলেন চাই? আছে। হাত কচলানো পুলিশ চাই? আছে। তাহলে? তার ওপর আছে স্পেশাল এফেক্ট। কখনো হুড়ুম করে ব্রীজ ভেঙে পড়ছে, কখনো দুম করে হাসপাতালে আগুন লেগে যাচ্ছে। যাকে বলে নাচে গানে অভিনয়ে জমজমাট। পুরো হুতোমের নক্সা।
















