মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২

ইলিয়াস সাহেব ~ নরেশ

এবিপি ও টেলিগ্রাফের প্রাক্তন সাংবাদিক নরেশ বাবু লিখেছেন । এই লেখাটা শেয়ার করা এবং পড়া উচিৎ । 

ইলিয়াস সাহেব, আপনার সঙ্গে আমার দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছিল ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি। তখনও আপনি নন্দীগ্রামে থাকতে পারছিলেন। ততদিনে অবশ্য হলদি নদীর এপারে শঙ্কর সামন্তকে পুড়িয়ে মারা হয়ে গেছে আর ওপারে গঙ্গামোড়ে ডিআইবি ইন্সপেক্টর সাধুচরণ চট্টোপাধ্যায়ের ঘাড় ভাঙা লাশ শেষ অবধি উদ্ধার হয়েছে হলদির গর্ভ থেকে। এক জোড়া পাথর বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল লাশটা। নন্দীগ্রামে ততদিনে সিপিএম 'ফিনিস।' ৭ই জানুয়ারির মধ্যেই নন্দীগ্রামের সমস্ত রাস্তা কেটে ফেলা হয়েছে। ৭নম্বর জলপাই গ্রামের ৬৫ বছরের মাখন বাবুকে তাই রিকশা ভ্যানে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেনি ছেলে সুখদেব। বাড়িতে রাখা দু'টো ইনহেলারই শেষ। অতগুলো হাঁদল কাটা রাস্তা পের করতে করতেই রাস্তাতেই মরে গেছেন ৬৫ বছরের মাখন বাবু।  ততক্ষনে পুড়ে গেছে শ'দুয়েক বাড়ি আর লুট হয়েছে শ'পাঁচেক বাড়ি। 'সিপিএম' আর থাকে কোন সাহসে?


তালপাটি খালের ওপারে ভাঙাবেড়ায় সিপিএম আর সিপিআই সমর্থক পরিবারগুলির আশ্রয় শিবির উপচে পড়ছে। শেষ দলটি সোনাচূড়া থেকে পালিয়ে এসেছে দিন চার দিন আগে। এই দলটি মন্ডল পরিবারের। মাওবাদী নেতা তেলেগু দীপক, মধুসূদন মন্ডলরা তাঁদের বেসক্যাম্প পেয়ে গেছে তৃনমূলের অন্দরে। সিদ্দিকুল্লা ততদিনে মহম্মদ ইলিয়াসকে মানে আপনাকে 'হারাম' বলে দেগে দিয়েছেন। খালি কংগ্রেসের সবুজ প্রধান তখনও বুঝে উঠতে পারেননি খেলাটা। ভাবছেন, নিপাট কৃষি জমি রক্ষার আন্দোলন একটা। তিনিও ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটিতে কিন্তু তাঁকে আড়াল করেই নন্দীগ্রামে নীল নকশা বুনে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী, সেক সুফিয়ান, তেলেগু দীপক, সিদ্দিকুল্লারা। 'আ্যকশন বাহিনী' গড়ে নিজেদেরই দুটো দল গড়ে খালের এপার ওপার বোমাবর্ষণ আর গুলির মহড়া চলছে। রাতের নন্দীগ্রাম বোমার আওয়াজে কাঁপছে আর হার্মাদ জুজু বোনা হচ্ছে। জুজু এই কারনেই বলা যে সেই 'হার্মাদ' তখনও নন্দীগ্রামে আসেনি। 

সবুজ তো বলেই ফেললেন, ' একটা মারাত্মক ভুল হয়ে গেছে। 'হার্মাদ' মনে করে আমাদের বাহিনীর লোকেরাই গুলি করে মেরে ফেলেছে আমাদেরই কয়েকজনকে।' আসলে খেলাটা বুঝতে পারেননি সবুজ, গ্রামবাসীদের ক্ষেপানোর জন্য আর 'হার্মাদ' গল্প ফাঁদার জন্য মাওবাদীদের লাশের দরকার তাই 'হার্মাদ' ঠেকানোর রাত পাহারায় থাকা ভরত মন্ডল, বিশ্বজিৎ মাইতি আর শেখ সেলিমের লাশের দরকার হয়ে পড়েছিল। সবুজ প্রধানের মত ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতারা তখনও বুঝতে পারেননি, কালিচরনপুর হাইস্কুলের পাশেই ডেরা বেঁধে আছে প্রশিক্ষিত মাওবাদীদের একটি দল। রাতে এরাই নিশিকান্ত মন্ডলের জিম্মায় থাকা অস্ত্র নিয়ে লড়াই লড়াই খেলে আর চমকে ওঠে নন্দীগ্রাম। ৭তারিখ মধ্যরাতে মাওবাদীদের গুলিতে মরলেন ভরত, সেলিম, বিশ্বজিৎ আর সেটাকেই হার্মাদ বলে চালিয়ে দিয়ে শঙ্কর সামন্তর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারা হল শঙ্কর সামন্তকে।

ইলিয়াস সাহেব আপনার সঙ্গে দেখা হল গাঙড়ায়। সাইকেলে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, দেখে মনে হল পদ্মা নদীর মাঝি। হলদিতে বৈঠা বাইতে বাইতে এই মাত্তর উঠে এলেন আমার ডাকে। সবুজ প্রধান বলেছিলেন, মানুষটা বড় ভালো। আমি বলেছিলাম, কিন্তু ওঁর সঙ্গে দেখা করব কী করে? সবুজ বললেন, 'আমি বললেই আসবেন।' আসলে আমার কিছুই করার ছিলনা । ৩রা জানুয়ারি নন্দীগ্রাম ঢুকতে ব্যর্থ হয়েছি। থানার মধ্যেই বসে রয়েছি সারাদিন। যে বাছাই করা কয়েকজন রিপোর্টারের নন্দীগ্রাম ঢোকা বারণ তাদের মধ্যে আমিও একজন। এর আগে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতা সেক সুফিয়ানের কাছে দরবার করেছিলাম, তিনি সোজা হাঁকিয়ে দিয়ে বললেন, 'ভেতরে ঢোকার কী দরকার? নন্দীগ্রাম থানায় বসে থাকুন। বর্তমান, একদিনের রিপোর্টাররা তো খবর আনবে তাদের কাছ থেকেই আপডেট নিয়ে নেবেন। তাছাড়া রাস্তা ফাস্তা সব কাটা আছে।' আমি জানি রানা, দয়াল, পাবকরা ততদিনে খবর খাওয়াচ্ছে, লড়াইয়ের গল্প শোনাচ্ছে, হাড় হিম সন্ত্রাসের।

 সবুজকে বললাম। সবুজ বললেন, আপনাকে সোনাচূড়া অবধি আসতেই হবে, বাকিটা আমরা ম্যানেজ করে নেব। আমি ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির আরেক নেতা আবু তাহেরকে পাকড়াও করলাম। থানার একটু দূরে তাঁর এতিমখানায় দাঁড়ালাম। এসে বললেন, ' আপনার বন্ধুরাই তো বাগড়া দিচ্ছে দাদা। বলছে ওই লোকটাকে কোনও ভাবেই নন্দীগ্রামের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া যাবেনা। সব ফাঁস করে দেবে।' আমি বললাম, কিন্তু ফাঁস করার আছেটা কী?' আবু বললেন, না, তেমন কিছুই নেই। আচ্ছা দাঁড়ান। কাউকে একটা ফোন করলেন। তারপর বললেন, 'বাইকে করে একজন আপনাকে সোনাচূড়া বাজার অবধি নিয়ে যাবে কিন্তু ওই পর্যন্ত। আর ওপাশে যাবেননা পরের জায়গাটা হার্মাদদের দখলে! আর তেলের দামটা দিয়ে দেবেন। ' আমি বললাম, তাই সই। আবু যে ছেলেটিকে দিয়েছিলেন, তার ফোন নম্বর নিয়েছিলাম। এরপর তাকেই ফোন করে নিতাম। দিনটা সম্ভবতঃ ১২ই ফেব্রুয়ারি, দুদিন আগেই হলদির গর্ভ থেকে ডিআইবি ইন্সপেক্টর সাধুচরণ চট্টোপাধ্যায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাত্র কয়েকমাস ছিল অবসর নিতে। ঈশ্বরদহ উত্তরপল্লীতে ভাবনীপুর থানার পুলিশের সঙ্গে একটা তদন্তে এসে নিখোঁজ হয়ে গেছিলেন সাধু। 

যাইহোক সবুজকে ফোন লাগলাম, 'সোনাচূড়ায় যাচ্ছি।' ততদিনে চৌরঙ্গী বাজার, হাজরাকাটা, গড়চক্রবেড়িয়া থেকে সোনাচূড়া অবধি সাত আটটা জায়গায় রাস্তাকাটা হয়ে গেছে। বাকি রাস্তায় কাঠের মিল থেকে নিয়ে আসা লম্বা লম্বা লগ ফেলে রাস্তা সঙ্কীর্ণ করে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের গাড়ি যাতে না ঢুকতে পারে। প্রতিটি রাস্তা কাটা জায়গায় চার পাঁচজন দাঁড়িয়ে থাকে। ওই বাইক চালকের ইশারায় তারা কাটা রাস্তার ওপর মোটা তক্তা বিছিয়ে দেয়। বাইক পেরুতে পেরুতে সোনাচূড়া বাজার। বেলা দেড়টা। সবুজ এলেন। সবুজই কথা বলে রেখেছিলেন, এলেন নিশিকান্ত মন্ডল। ছিপছিপে লুঙ্গি পরা মানুষটিই তখন সোনাচূড়ার নেতা। রাতে এঁর বাড়ি থেকেই পরিচালনা হয় 'আ্যকশন বাহিনী'। তেলেগু দীপক, মধুসূদন মন্ডলরা নাকি এর বাড়িতেই ডেরা গাড়েন। অনেক পরে খুন হয়েছিলেন নিশিকান্ত মন্ডল। মাওবাদীরাই গুলি করে মেরেছিল তাঁকে। এক মাওবাদী নেতা পরে আমার কাছে আফসোস করে বলেছিলেন, নিশিকান্ত মন্ডলকে মারা ভুল হয়েছিল। ওনার কাছে আমাদের যে অস্ত্রগুলি ছিল তা উনি ফেরৎ দিতে অস্বীকার করেছিলেন বলেই ওনাকে মারা হয়। কিন্তু পরে আমরা জানতে পারি এটা উনি ওনার এক শীর্ষ নেতার নির্দেশেই করেছিলেন। মাওবাদী সেই নেতাতো সরাসরি  অধিকারী বাবুর নাম নিয়েছিলেন।

সোনাচূড়া বাজারের একটা চায়ের দোকানে বসে কথা হল নিশিকান্ত মন্ডল, সবুজ প্রধান, খোকন শীটের সঙ্গে। এরইমধ্যে সবুজ কথা বলে নিয়েছিলেন মহম্মদ ইলিয়াসের সাথে। আমাকে বললেন, উনি গাঙড়া পর্যন্ত আসতে পারবেন। কিন্তু আপনি যাবেন কী করে? আমি বললাম, কেন বাইকে? সবুজ বললেন, মাথা খারাপ ওরা আমাদের বাহিনীর ছেলে। নন্দীগ্রামের বাম বিধায়কের কাছে আপনি বাহিনীর বাইকে যাবেন? এদিকে বাইক চালকও ততক্ষনে অধৈর্য্য হয়ে উঠছে আর উশখুশ করছে। ওকে বললাম, ভাই আপনি চলে যান। তেলের টাকা দিয়ে দিলাম। ছেলেটি খুশি মনে চলে গেল। সোনাচূড়া থেকে গাঙড়া প্রায় তিন কিলোমিটার। চড়া রোদ, মাথা ঝিমঝিম করছে। পরনের হাফ সোয়েটার খুলে মাথায় চাপালাম। সবুজের কথায় খোকন আমাকে গাঙড়ার মুখে নামিয়ে দিয়ে বললেন, বাকিটা হেঁটে চলে যান। বাকিটা হেঁটেই আপনার কাছে গেলাম। রাস্তার ওপর একটা কার্লভাটে বসলাম দু'জন। কার্লভাটটার তলা দিয়ে তখন কুলকুল করে জল ঢুকছে পূর্ব থেকে পশ্চিমে। আমি সেদিকে তাকাতেই আপনি বললেন, হলদিতে জোয়ারের জল ঢুকছে।

দিনটা আমার এই কারনেই মনে আছে যে, নন্দীগ্রামের এই অংশ থেকে শেষ সিপিএম সমর্থক পরিবার চলে গেছে কয়েকদিন আগেই ঠিক যেদিন নদীর ওপাড়ে গঙ্গামোড়ের কাছে ঈশ্বরদহ থেকে নিখোঁজ হয়েছেন সাধুচরণ চট্টোপাধ্যায়। এপারে সেই দিনই ক্লাশ নাইনের ছাত্রী সুমিতা মন্ডলের লাশ উদ্ধার হয়েছে। অনেক অশান্তির মধ্যেই থেকে গিয়েছিল সুমিতার পরিবার। সুমিতার বাবা নন্দীগ্রামে হলদিয়ার মতই শিল্প চেয়ে মিছিল করেছিলেন। দিনে দুপুরেই ১৬বছরের সুমিতাকে ধর্ষণ করার পর মেরে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে তার বাড়ির সামনেই একটা গাছে। এরপরও আপনি নন্দীগ্রামে থাকতে পারছেন? প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি বললেন, আছি। তবে কতদিন থাকতে পারব জানিনা। পরে বুঝেছি আপনার দলও ততদিনে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর বিরুদ্ধে নরম গরম বক্তব্য রাখছে। অশোক ঘোষ, ক্ষিতি গোস্বামীর মতই মঞ্জুকুমার মজুমদাররাও বলতে শুরু করেছেন, এর পুরো দায় সিপিএমকেই নিতে হবে। আপনাদের সমর্থক পরিবারগুলো ততদিনে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। তাঁদের রুটিন মত মিছিল মিটিংয়ে হাঁটছে। আপনি বললেন, ' মানুষ ভুল বুজছে কিন্তু আশাকরি সত্যটা বুঝতে পারবে। তেরপেখ্যা সেতুটা হলেই....' আপনাকে বড় বিষন্ন লাগছিল। প্রথমবার ৫ই জানুয়ারি আপনার চৌরঙ্গীর বাড়িতে দেখা সেই আপনি তখন মারাত্মক বিষন্ন, হতাশা গ্রাস করেছে আপনাকে।

ওই বছররই ৫ ডিসেম্বর খবরটা ভেসে উঠল টিভিতে। নন্দীগ্রাম বিধায়ক ইলিয়াস মহম্মদ ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েছে! কোন ইলিয়াস? ১৯৯৩ আর ১৯৯৮  নন্দীগ্রাম-১-এর পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি? ২০০১ আর ২০০৬ সালে নন্দীগ্রামের বিধায়ক। পলেস্তারা খসে পড়া একতলা বাড়ির মালিক? দলের নির্দেশে সরকারি চাকরি ছেড়ে বিধায়ক হওয়া ইলিয়াস মহম্মদ। দু'টো বেকার ছেলের কোথাও গছাতে না পারা অপদার্থ বাপ  ইলিয়াস মহম্মদ ? আপনি এতটাই ভোলে ভালা যে সংবাদিক রূপী তৃনমূল কর্মীটিকে চিনতে পারলেননা।

ততদিনে আপনার বাড়িতেও হামলা হয়ে গেছে। আপনি এমএলএ হোস্টেলে। সাংবাদিক সাজা তৃনমূল কর্মী শঙ্কুদেব পণ্ডা নন্দীগ্রামের 'উন্নয়নে'র জন্য কাজ করতে চাওয়া এক এনজিওর হয়ে বিধায়কের শংসাপত্র নিতে গেছিল আপনার কাছে। আমার ফোনটা ধরেই কাঁপা কাঁপা গলায় বললেন, " নন্দীগ্রামে উন্নয়নের কাজ হবে শুনেই শংসাপত্র দিয়েছিলাম। ও আমার পকেটে একটা নোটের বান্ডিল গুঁজে দিল। আমি টাকাটা বের করে ওর হাতে দিয়ে বললাম, ' এইভাবে  দলের ফান্ডে টাকা নেইনা আমরা।' আমি টাকাটা ফেরৎ দিলাম। সেটাই ওরা ছবি করে দেখিয়ে দিল!' আপনার বিরুদ্ধে সেই অভিযোগ শেষ অবধি ধোপে টেকেনি বরং বিধানসভায় চিৎকার করে আপনাকে চোর বলে যিনি স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন সেই সৌগত রায়কে নারদ মামলায় ঘুষ নিতে দেখেছে সবাই। আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা শঙ্কুদেবও ধরা পড়েছেন নারদ ঘুষকান্ডে। আপনি নির্দোষ প্রমাণিত কিন্তু তাঁরা এখনও অবধি নন।
 
৪ঠা এপ্রিল ২০২২, আপনার এন্তেকাল! শুনলাম স্ট্রোক হওয়ার পর জমি জায়গা বেচে গত ২বছর আপনার চিকিৎসা হচ্ছিল। আর নন্দীগ্রামে এখন কৃষিজমি খুঁড়ে মাছের ভেড়ি হচ্ছে, সিঙুরের মতই। হলদিয়া শহরের প্রতিটি জনপদে ঝুপড়ির পর ঝুপড়ি বাড়াচ্ছে নন্দীগ্রাম। নন্দীগ্রামের শিক্ষিত যৌবন ছুটেছে বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ, হায়দ্রাবাদ। আপনার এন্তেকাল হয়েছে আজই, আপনি সব দেখতে পাবেন। দেখে আসুন হলদিয়ার বাবাজীবাসার কোনে যে ছেলেটা সবজি দোকান করে, সে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনীয়ার, আপনারই নন্দীগ্রামে বাড়ি। আর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধকারী সেই মহান মানুষটির এখন জাহাজ প্রমান বাড়ি!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন